Translate into Bangla:
রেনেসাঁর সময়কাল হতেই আমরা দেখে আসছি যে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যের উন্নয়নের জন্য আদর্শ প্রেরণা হিসেবে শিক্ষার উপর পুনঃপুন জোর দেয়া হচ্ছে। এটি কর্তৃত্ববাদ ও আত্নপীড়নের বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা ও সৃষ্টিশীলতাকে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করে কিন্তু বিষয়গুলো এর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বর্তমান সভ্যতায় ব্যক্তি স্বাধীনতার সচেতনতা একটি প্রাণাবেগের বিষয় এবং সচরাচর এই আধুনিক যুগের মানুষ মনে করে এই ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া বেঁচে থাকার কোনো অর্থই হয় না। মধ্যযুগে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদ ছিল খুবই সংরক্ষিত। এই সময়কালে দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত স্বাধীন ইচ্ছা শূন্য বিপুল পরিমাণে কিছু নির্দিষ্ট রুটিনমাফিক কাজের সাথেই মানুষ লেগে থাকত। আপাতদৃষ্টিতে আধুনিক যুগে এর বিপরীতটাই সংঘটিত হচ্ছে বলে মনে হয়। কিছু সমগ্রতাবাদী রাজ্য বা দেশ (যে রাজনৈতিক দল একটি দল ভিন্ন অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে মানতে রাজী নয়) ছাড়া আমাদের শিক্ষার পরীক্ষামূলক লক্ষ্য হলো ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যের বৈশিষ্ট্যসূচক উন্নয়নের পাশাপাশি বাস্তবিক জীবনের কৃত্রিমভাবে প্রস্তুতকৃত মনোরম পরিবেশের উন্নয়ন।
চাকরি প্রস্তুতির জন্য ইংরেজি বিষয়ের পাঠ্যসূচি মূলত দুইটি অংশে বিভক্ত— English Grammar ও English Literature। English Grammar অংশে ইংরেজি ভাষার গঠন ও নিয়ম শেখানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে Parts of Speech, যেমন Noun, Pronoun, Verb, Adjective, Adverb ইত্যাদি; Tense (Present, Past ও Future); Voice (Active ও Passive); Narration (Direct ও Indirect Speech); Article (A, An, The); Right Form of Verb ও Subject–Verb Agreement; Preposition; Degree of Comparison; Sentence-এর প্রকারভেদ; Transformation of Sentence; Conditional Sentence এবং Modal Verbs। এই অংশে মূলত নিয়ম জানা ও নিয়মভিত্তিক বহুনির্বাচনী প্রশ্ন অনুশীলন করা জরুরি।
অন্যদিকে ইংরেজি সাহিত্য (English Literature) বলতে মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত বিভিন্ন যুগের সাহিত্যকর্মকে (কবিতানাটকউপন্যাসপ্রবন্ধ) বোঝায়যার সূচনা ৮ম-১১শ শতাব্দীতে ‘বিউলফ’ (Beowulf) নামক মহাকাব্যের মাধ্যমে । জিওফ্রে চসারকে ইংরেজি সাহিত্যের জনক বলা হয় । বিভিন্ন সাহিত্য যুগের (যেমন: রেনেসাঁরোমান্টিকভিক্টোরিয়ান) মাধ্যমে এটি বিবর্তিত হয়ে বর্তমান রূপ পেয়েছে ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?